কারামুক্ত ডা: সেলিনা হায়াৎ আইভীকে নিজ বাস ভবনে থাকতে হবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে
দীর্ঘ প্রায় ১৩ মাস কারাভোগের পর বুধবার রাত সোয়া ১০টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান আইভী। পরে দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি দেওভোগে নিজ বাসভবনে পৌঁছান। কারামুক্ত হয়ে নিজ বাস ভবনে ফিরলেও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ডা: সেলিনা হায়াৎ আইভীকে থাকতে হবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে। সূত্রে জানা যায় যে জামিনে মুক্তির রাতেই আইভীর বসতবাড়ি চুনকা কুটিরের সামনে ও আশপাশের কয়েকটি স্থানে শক্তিশালী সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে পুলিশ।
৪ জুন বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার পর থেকে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকার নিজ বাসভবন ‘চুনকা কুটির’-এ লোকজন ভিড় করতে শুরু করেন।
এদিকে আইভীর পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রশাসনিক চাপ ও নিরাপত্তার কারণে বাড়িতে আসা লোকজনের সংখ্যা সীমিত রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। এরপরও বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা আইভীর খোঁজখবর নিতে আসছেন।
সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর বিষয় সম্পর্কে খবর নিয়ে জানা যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তত্বাবধানে এই ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।
উল্লেখ যে, ২০২৫ সালের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জের বাসা থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময়ের ৩টি হত্যা মামলা, ২টি হত্যাচেষ্টা মামলাসহ মোট ১২টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
সর্বশেষ গত ৩০ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুই হত্যা মামলায় হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান সেলিনা হায়াৎ আইভী।
বিগত ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত একটানা নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন গঠনের পর একটানা তিনটি নিবার্চনে জয়ী হন এবং ২৪ জুলাইয়ের পর অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠনের পর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার পদ শূন্য ঘোষণা করে প্রশাসক নিযুক্ত করা হয়।








আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...