বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে মিশনপাড়া, চাষাঢ়া হয়ে বি. বি. রোডের নারায়ণগঞ্জ ক্লাব মার্কেট পর্যন্ত ঘুরে পূণরায় মিশনপাড়া এসে এ উচ্ছেদ কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটে।
হকারদের উচ্ছেদ কার্যক্রম শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এড.আবু আল ইউসুফ খান টিপু বলেন- আমরা বার বার ডিসি ও এসপিকে বলেছি, ফুটপাত সহ সড়ক নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। সড়কে যেন কোন ভ্যানগাড়ি না বসে। নারায়ণগঞ্জবাসীর জনস্বার্থে আমার এ আহ্বান ছিল। জনগণের স্বার্থে আমি নিজেই লাঠি হাতে নিয়েছি। এতে আমি স্বীকারও করি জনগণের ভাল করতে গিয়ে, আমি নিজেও হকারদের মেড়েছি। এদের নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে নারায়ণগঞ্জের মানুষ সড়কে চলাচল করতে পারবে না এবং যানজট মুক্ত হতে পারবে না।
তিনি আরও বলেন- আমি ডিসি ও এসপিকে বলে এসেছি, আজ থেকে কোন ভ্যানগাড়ি বসতে দিব না। এছাড়া আগামীকাল থেকে এরকম দেখলে আমি কেরোসিন তেল দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দেবারও হুঁশিয়ার দিব। এটা মূলত প্রশাসনিক কাজ, এ কাজ তাদের। প্রশাসন আজ আছে কাল নেই! আমরা স্থায়ীভাবে এ শহরে বসবাস করব। আমি যতদিন বেঁচে থাকব, ঠিক ততদিন এ অভিযান করব। এবং প্রয়োজনে এ-ই অভিযান প্রতিদিন করব।
ও-ই সময় সড়ক দখল মুক্ত করতে জনগণের জনদূর্ভোগ চিন্তা করে সড়ক দখল মুক্ত করতে লাঠি হাতে। ও-ই ম্যাচলাইট দে, হকারদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে এবং কান ধরিয়ে উঠবসের মধ্য দিয়ে সড়ক দখল মক্ত করা হয়। হকারও উচ্ছেদের অভিযানের সময় পুরো শহর যানজট মুক্ত ফাঁকা হয়ে যায়। কিন্তু কিছুক্ষণ পর এর চিত্র ভিন্নতা দেখা যায়। হকাররা আবারও সড়ক দখল করে ফেলে। নারায়ণগঞ্জবাসীর স্বার্থে আমার এ-ই উদ্যোগ চলমান থাকবে। ও-ই সময় তার সাথে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি’র অন্যান্য নেতা-কর্মী বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...