বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর্জেন্টিনা ভক্তদের জন্য ফ্রি প্যালেস্টাইন ক্যাম্পেইন সঠিক তথ্য না জানায় মানুষ অবৈধ পথে বিদেশ পাড়ি জমায়: না’গঞ্জ ডিসি সাংবাদিক সোনালীর চিকিৎসা সহায়তায়  মানবিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন সদর ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিন নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতা অভিযান:  পরিচ্ছন্নতা নিয়ে জেলা প্রশাসকের কঠোর হুঁশিয়ারি ১৬ জুন, নারায়নগঞ্জ  চাষাঢ়া বোমা ট্র্যাজেডির  ২৬ বছর ৬৪ জেলা ও ৭৪টি প্রত্যন্ত উপজেলায় ৩ দিনব্যাপী বর্ণিল আয়োজনে শুরু হচ্ছে ‘নজরুল বর্ষ’ গণমাধ্যমকে তোষামোদির সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে পিআইবির আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করলেন তথ্যমন্ত্রী আমলাপাড়ায় নেমুর মৃত্যুতে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত ​না:গঞ্জে  ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী’র প্রকল্প উদ্বোধন ও সরকারি অফিস  পরিদর্শন

প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ : / ২৫ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

প্রচণ্ড রোদ ও তীব্র তাপদাহে জনজীবন যখন অতিষ্ঠ, ঠিক তখনই নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সীর মানবিক উদ্যোগে পথচারী, অটোরিকশাচালক, দিনমজুর ও দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের মাঝে ঠান্ডা পানীয়, ওরস্যালাইন ও খাবার বিতরণ করে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার ৩ জুন দুপুরে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তীব্র গরমে স্বস্তি পেয়ে সাধারণ মানুষ জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ঠান্ডা পানি হাতে পেয়ে একজন অটোরিকশাচালক বলেন, এত রোদের মধ্যে গাড়ি চালানো অনেক কষ্টের এবং কিছুক্ষণ পর পরই গলা শুকিয়ে যায়। ঠান্ডা পানি খেয়ে প্রাণটা জুড়ালো। এত ব্যস্ততার মাঝেও ডিসি স্যার ও এসপি স্যার আমাদের কথা মনে রেখেছেন, এ জন্য আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

একজন দিনমজুর জানান, সারাদিন রোদে কাজ করি। একটু ঠান্ডা পানি পেলে শরীরটা চাঙা হয়। স্যাররা যে আমাদের কথা ভেবেছেন, এটাই অনেক বড় পাওয়া।

এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাফিক ইনচার্জ এম এ করিম বলেন, প্রচণ্ড গরমে সড়কে দায়িত্ব পালন করা খুবই কষ্টকর। জেলা প্রশাসকের এই উদ্যোগে ট্রাফিক সদস্যরা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। ডিউটির মাঝে ঠান্ডা পানি, ওরস্যালাইন ও খাবার পেয়ে আমরা উজ্জীবিত। এ ধরনের মানবিক কাজ আমাদের মনোবল বাড়ায়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, রৌদ্রের প্রখরতায় জীবিকার তাগিদে মানুষকে রাস্তায় বের হতে হচ্ছে। তীব্র গরমে পথচারী ও শ্রমজীবী মানুষ যেন কিছুটা স্বস্তি পান, সে চিন্তা থেকেই এ উদ্যোগ। জনগণের পাশে থাকাই প্রশাসনের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, সমাজের বিত্তবান, বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে এ ধরনের মানবিক কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।

পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, তাপদাহে পুলিশ সদস্যরাও ঝুঁকি নিয়ে সড়কে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের কষ্ট লাঘবে আমরা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে একযোগে কাজ করছি। জনসেবায় পুলিশ সবসময় মানুষের পাশে আছে।

জেলা প্রশাসন ও পুলিশের এ মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জেলার সর্ব মহলের নাগরিকরা।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর