বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০২:২৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর্জেন্টিনা ভক্তদের জন্য ফ্রি প্যালেস্টাইন ক্যাম্পেইন সঠিক তথ্য না জানায় মানুষ অবৈধ পথে বিদেশ পাড়ি জমায়: না’গঞ্জ ডিসি সাংবাদিক সোনালীর চিকিৎসা সহায়তায়  মানবিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন সদর ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিন নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতা অভিযান:  পরিচ্ছন্নতা নিয়ে জেলা প্রশাসকের কঠোর হুঁশিয়ারি ১৬ জুন, নারায়নগঞ্জ  চাষাঢ়া বোমা ট্র্যাজেডির  ২৬ বছর ৬৪ জেলা ও ৭৪টি প্রত্যন্ত উপজেলায় ৩ দিনব্যাপী বর্ণিল আয়োজনে শুরু হচ্ছে ‘নজরুল বর্ষ’ গণমাধ্যমকে তোষামোদির সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে পিআইবির আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করলেন তথ্যমন্ত্রী আমলাপাড়ায় নেমুর মৃত্যুতে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত ​না:গঞ্জে  ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী’র প্রকল্প উদ্বোধন ও সরকারি অফিস  পরিদর্শন

বাঁশখালীতে মাকে হত্যা: র‍্যাব-৭ ও র‍্যাব-১৫-এর যৌথ অভিযানে ছেলে ও পুত্রবধূ গ্রেপ্তার

বর্তমান সংবাদ ডেস্ক / ১১৮ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বহুল আলোচিত মাকে গলা কেটে হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি ছেলে মো. কাশেম (২৮) ও তাঁর স্ত্রী নারগিছ আক্তারকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র‍্যাব-১৫, কক্সবাজারের যৌথ অভিযানে তাঁদের আটক করা হয়।

র‍্যাব সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) বিকেলে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ঘটনাটির এজাহারনামীয় এই দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত রেহেনা বেগম (৬২) চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পূর্ব বৈলছড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বড় ছেলে প্রবাসে অবস্থান করে নিয়মিত মায়ের চিকিৎসা ও ওষুধের জন্য অর্থ পাঠাতেন। অভিযোগ রয়েছে, ছোট ছেলে কাশেম সেই অর্থ আত্মসাৎ করতেন। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পরিবারে বিরোধ চলছিল, যা ক্রমেই তীব্র রূপ নেয়।

এই বিরোধের জের ধরে গত বছরের ৫ জুন রাত থেকে ৬ জুন ভোরের মধ্যে কোনো এক সময়ে কাশেম ও তাঁর স্ত্রী নারগিছ আক্তার পরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেহেনা বেগমকে হত্যা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। হত্যার পর ঘটনাটি আড়াল করতে রক্তাক্ত কাপড় ঘরের এক কোণে লুকিয়ে রাখা হয়।

পরদিন সকালে স্বজনরা গুরুতর অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ড দ্রুতই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং জাতীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. মুক্তার আহমদ বাদী হয়ে ৮ জুন বাঁশখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১০)। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

র‍্যাব জানায়, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা গ্রেপ্তার এড়াতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিল। গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে তাঁদের অবস্থান নিশ্চিত করা হয় এবং পরিকল্পিত যৌথ অভিযানের মাধ্যমে অবশেষে তাঁদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..
এক ক্লিকে বিভাগের খবর