অনেকের মতে কালীবাজার, আমলাপাড়া এলাকাসহ শহরের অনেক দোকানে সে চাঁদাবাজির পাশাপাশি বাকীতে মালামাল নিয়ে টাকা না দিয়ে চলে যেতো। কোন দোকানী সেই বাকির টাকা চাইতে গেলেই তার হুমকি ধামকি ও নির্যাতনের শিকার হতে হতো বলেও জানা যায়। আওয়ামী লীগ সরকারের পট পরিবর্তন হলে কিছুদিন ঘা ডাকা দিয়ে থাকে। পূর্বে তার মুখমন্ডলে চাপদাড়ি থাকলেও হঠাৎ করে দাড়ি ফেলে দিয়ে মুখোশ পাল্টে ক্লিন সেভ করে নব রুপে প্রকাশে চলে আসে এবং সুকৌশলে ছদ্মবেশ ধারণ করে বিএনপির সাথে মিশে গিয়ে নতুন কৌশলে আবার ও চাঁদাবাজি ও এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতে মরিয়া হয়ে উঠে পড়ে লেগেছে বলে জানা যায়।
যুবরাজ ঘোষিত আজমীর ওসমানের সহযোগী খোরশেদ আহমেদ হীরা এখন নিজেকে পরিচয় দিচ্ছে বিএনপির সদস্য। আবার কখনো পরিচয় দিয়ে থাকে বি এন পি নেতা প্রয়াত মমিনউল্লাহ ডেভিড এর ছোট ভাই রোমানের বন্ধু। ভাগিনা রানার নাম ভাঙ্গিয়েও পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষ কে হয়রানি করে থাকেন বলেও অনেকের ভাষ্য।
সম্প্রতী হীরা’র বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে এসেছে যে, কালীবাজার সরকারি সম্পত্তি দখল করে অবৈধ ভাড়া দিয়ে প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করে নিজের পকেট ভারি করে চলছে। এসকল অবৈধ দোকানীর একজন চাদাঁ না দেওয়ায় হীরা বাহিনীর সন্ত্রাসী গ্রুপ দোকানে তালা লাগিয়ে দেন এবং দোকানদার ব্যবসায়ী কে মারধোর করে আহত করে গোপনসূত্রে জানা যায় ।
স্থানীয় এলাকার লোকজন ও ভঃক্তভচ কালীবাজারের ব্যবসায়ী মহলের দাবি সন্ত্রাসী ও মাদকাসক্ত হীরা’র চাঁদাবাজি এবং অত্যাচারের হাত থেকে সবাই মুক্তি চায়। তার হাত থেকে রক্ষা পেতে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...